বার্তা সংস্থা আবনা : ইউরেনিয়াম প্রক্রিয়াজাত করার আরো দু'টি স্থাপনা চালু করেছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান।
আজ (মঙ্গলবার) দেশটির কেন্দ্রীয় প্রদেশ ইয়াজদে এ দু'টি পরমাণু স্থাপনাচালু করা হয়েছে।
একই প্রদেশের স'গ্বান্দ এলাকায় ইউরেনিয়ামের একটি খনিতে উতপাদন শুরু হয়েছে। স'গ্বান্দ খনির সাড়ে তিনশ' মিটার গভীর থেকে খনিজ ইউরেনিয়াম উত্তোলন করা হচ্ছে। এই ইউরেনিয়ামকে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় ইয়েলো কেকে রূপান্তর করা হবে।
শহীদ রাজায়ি ইয়েলো কেক উতপাদন স্থাপনা থেকে প্রতি বছর ৬০ টন ইয়েলো কেক উতপাদনে সক্ষম হবে এবং উন্নতমানের এই কেক বিদেশেও রপ্তানি করতে সক্ষম হবে ইরান।
ইরানের পরমাণু বিজ্ঞানীরা শিল্প ক্ষেত্রের দ্রুত অগ্রগতির জন্য জরুরি শক্তিশালী রুডোট্রোন যন্ত্রও তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে প্রথমবারের মতো। এই যন্ত্র ইলেক্ট্রনের গতি বহু গুণ বৃদ্ধি করে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট ডক্টর মাহমুদ আহমাদিনেজাদ আজ ভোরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এসব পরমাণু স্থাপনা উদ্বোধন করেছেন। তিনি আজ পাঁচটি পরমাণু ওষুধ উতপাদন প্রকল্পও উদ্বোধন করেন।
নাতাঞ্জ ও ফোরদু পরমাণু স্থাপনায় যথাক্রমে তিন দশমিক পাঁচ ও বিশ শতাংশ মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করে আসছে ইরান।
পশ্চিমা দেশগুলো ইরানকে পরমাণু বোমা বানানোর প্রচেষ্টার জন্য অভিযুক্ত করে এলেও তেহরান বলছে- তার পরমাণু কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং পরমাণু অস্ত্র বিস্তাররোধ চুক্তির সদস্য হিসেবে বিদ্যুত খাতসহ শান্তিপূর্ণ নানা খাতে পরমাণু প্রযুক্তি ও জ্বালানি ব্যবহার তার ন্যায্য অধিকার।
ইরান সাত বছর আগে (২০০৬ সালে) ঠিক এই দিনে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ও পরমাণু জ্বালানি চক্র সম্পন্ন করার পদ্ধতি আয়ত্ত্ব করতে সক্ষম হয়েছিল এবং এক বছর পর শিল্প-পর্যায়ে পরমাণু জ্বালানি উতপাদন শুরু করে।
উল্লেখ্য, আজ ইরানের জাতীয় পরমাণু প্রযুক্তি দিবস। #